আক্রমণের ঝড় তুলেও অ্যাতলেটিকোর কাছে হারলো বার্সেলোনা
স্পোর্টস ডেস্ক: দুটি গোলের সময় চোখ পর্দায় না থাকলে ম্যাচের ফল নিয়ে ভুল ধারণাই হতে পারে। একের পর এক আক্রমণ করে ঝড় তুলেছিল বার্সেলোনা। প্রায় প্রতি ৬ মিনিটে একবার করে গোলের জন্য শট নিয়েছে তারা, অন-টার্গেটেই ছিল ৮ শট। জিতবে আর কে!কিন্তু হয়েছে উলটো। বার্সেলোনার মুহুর্মুহু আক্রমণ ঠেকিয়ে দিয়ে ক্যাম্প ন্যু থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগের ম্যাচটিতে তাদের জয় ২-০ গোলে। হুলিয়াল আলভারেজের পর সরলথের গোলের ম্যাচে দিয়েগো সিমিওনের শিষ্যরা জালে শট নিয়েছিল মাত্র ৩ বার। এই জয়ে তারা সেমিফাইনালে এক পা দিয়েই ফেলল। দ্বিতীয় লেগের ম্যাচটি আগামী ১৫ এপ্রিল।১৫ বছরের অ্যাতলেটিকো ক্যারিয়ারে বার্সেলোনার বিপক্ষে ক্যাম্প ন্যুতে এটা সিমিওনের প্রথম জয়। আর্জেন্টাইন কোচ ২০১১ সালে মাদ্রিদের ক্লাবটির দায়িত্ব নিয়েছিলেন। অবশ্য এর আরও ৫ বছর আগে থেকে ক্যাম্প ন্যুতে জেতে না অ্যাতলেটিকো। সবশেষ জয়টি ছিল ২০০৬ সালে।অ্যাতলেটিকো লিড নেয় আলভারেজের দারুণ এক ফ্রি-কিকে। ৪৫ মিনিটে পাও কুবার্সি ডি বক্সের একটু দূরে ফাউল করলে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। পরে ভিএআর দেখে হলুদ কার্ড বদলে যায় লাল কার্ডে। সেখান থেকেই ডান পায়ের বাঁকানো শটে জাল খুঁজে নেন আলভারেজ।ম্যাচের শুরুর দিকে অফসাইডের কারণে গোলবঞ্চিত হওয়া বার্সেলোনা সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল বিরতি থেকে ফেরার কিছুক্ষণ পরই। ৪৯ মিনিটে লামিন ইয়ামালের দূর থেকে বাড়িয়ে দেওয়া বল দুই ডিফেন্ডারের মাঝে পেয়ে যান মার্কাস রাশফোর্ড। তার সামনে ছিলেন কেবল অ্যাতলেটিকোর গোলরক্ষক হুয়ান মুসো। মুসোকে কাটাতে গিয়ে বার্সা ফরোয়ার্ড বল আর জালে রাখতে পারেননি। ৫ মিনিট পর তার আরেকটি শট বারে লেগে ফিরে আসে।সরলথকে ৬১ মিনিটে বেঞ্চ থেকে নামিয়েছিলেন সিমিওনে। এর ১০ মিনিটের মাথায়ই ব্যবধান ২-০ করেন তিনি। এই নরওয়েজিয়ান মাতেও রুজেরির কাছ থেকে বল পেয়ে ১০ মিটার দূর থেকে গোল করেন। শেষ কয়েকটি মিনিট ছিল বার্সেলোনার। ইয়ামালরা বারবার আক্রমণ করলেও গোল করা হয়ে উঠেনি।