গোবিপ্রবিতে পরীক্ষায় খাতা না দেখানোয় সহপাঠীকে মারধরের অভিযোগ
গোবিপ্রবি প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) পরীক্ষায় খাতা না দেখানোর জেরে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হলেন গোবিপ্রবি প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বিপ্র. এন. এম.। এ ঘটনায় আহত হয়ে চন্দন মহন্ত নামের এক শিক্ষার্থীকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চন্দন মহন্ত জানান, বিপ্র. এন. এম. তার ব্যাচমেট। পরীক্ষার সময় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী তার কাছে খাতা দেখানোর জন্য চাপ দেন। এতে তিনি রাজি না হওয়ায় পরে এ নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যার দিকে এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর সঙ্গে অবস্থানকালে অভিযুক্তের সঙ্গে দেখা হলে পরীক্ষার খাতা দেখানোকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি শারীরিকভাবে আঘাতের শিকার হন এবং অচেতন হয়ে পড়েন। পরে সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. আফতাব জিলানী জানান, রাত ১০টার দিকে আহত শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে আনা হয়। মাথায় আঘাতের কারণে তাকে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বিপ্র. এন. এম. তা অস্বীকার করে বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, চন্দন তার বন্ধু এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর থেকে তিনিই তার সঙ্গে ছিলেন। অভিযোগটি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।এ বিষয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থী আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকার বিষয়টি তারা জেনেছেন। একজন শিক্ষককে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পরীক্ষার খাতা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথাবার্তার একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিভাগ খোলার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।