• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ৫ই মাঘ ১৪৩২ বিকাল ০৪:৪৭:৫৯ (18-Jan-2026)
  • - ৩৩° সে:
বড়াইগ্রামের দুই আলোচিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি

বড়াইগ্রামের দুই আলোচিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি

বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি: নাটোরের বড়াইগ্রামে সংঘটিত দুইটি বহুল আলোচিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার সম্পন্নের জোর দাবি জানিয়েছেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও হত্যাকারীরা আইনের আওতায় না আসায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন তারা।১৭ জানুয়ারি শনিবার ঢাকার শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এসব দাবি তুলে ধরা হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত এ সভা ছিল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান।মতবিনিময় সভায় বড়াইগ্রামের দুই শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন নিহতদের স্বজনরা।২০০২ সালের ২৮ মার্চ বড়াইগ্রাম উপজেলায় রাজনৈতিকভাবে প্রথম আলোচিত হত্যাকাণ্ডের শিকার হন শহীদ আলম। তিনি তৎকালীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল বড়াইগ্রাম উপজেলা শাখার সভাপতি ছিলেন। তার পরিবারের পক্ষে সভায় উপস্থিত ছিলেন ভাতিজা মো. শাহেদ মোল্লা।অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমকে মো. শাহেদ মোল্লা বলেন, চাচা শহীদ আলমকে হত্যার প্রায় দুই যুগ পেরিয়ে গেলেও এখনো হত্যাকারীরা আইনের আওতার বাইরে রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, হত্যা মামলাটি বর্তমানে হাইকোর্টে স্থগিত থাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিচার কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। তবে মামলাটি পুনরায় সচল করতে আইনগতভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে, ২০১০ সালের ৮ অক্টোবর বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত হয় আরেকটি আলোচিত হত্যাকাণ্ড। ওইদিন খুন হন বনপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাবেক বনপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি শহীদ সানাউল্লাহ নূর বাবু।তার পরিবারের পক্ষে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী মহুয়া নূর কচি। তিনি বলেন, শহীদ সানাউল্লাহ নূর বাবু হত্যার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখনো বিচার সম্পন্ন হয়নি। দ্রুত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।জানা গেছে, শহীদ আলম হত্যা মামলায় আসামির সংখ্যা ২১ জন এবং শহীদ সানাউল্লাহ নূর বাবু হত্যা মামলায় আসামি রয়েছেন ২৭ জন। দুই মামলায় মোট ১৭ জন আসামি অভিন্ন, যাদের বিরুদ্ধে উভয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।