সিলেটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: আর পাঁচটা দিনের চেয়ে আজ একেবারেই ভিন্ন চিত্র দেখা গেল সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে। কানায় কানায় পূর্ণ গ্যালারি, খুদে ক্রীড়াবিদদের ক্রীড়া প্রদর্শনী, নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি আর সংবাদকর্মীদের ব্যস্ততায় স্টেডিয়ামটি যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।২ মে শনিবার বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে স্টেডিয়ামে পৌঁছান তারেক রহমান। পরে বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধন ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলা স্টেডিয়ামের খুদে ক্রীড়াবিদরা ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণে ১৯৭৬ সালে শুরু হওয়া নতুন কুঁড়ি মূলত বাংলাদেশ টেলিভিশনের একটি জনপ্রিয় আয়োজন ছিল। বহু বছর পর সেই পরিচিত নাম এবার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন রূপে ফিরল নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস হিসেবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন খেলাধুলার প্রতিনিধিত্বকারী ৩২ জন জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদও উপস্থিত ছিলেন। তারা এই উদ্যোগের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তরুণ খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেন।সরকারি উদ্যোগে নেওয়া এই প্রতিযোগিতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, দাবা, অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার ও মার্শাল আর্টসহ মোট ৮টি ইভেন্টে খেলা অনুষ্ঠিত হবে।প্রতিযোগিতা উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে জেলা, বিভাগীয় ও শেষে জাতীয় পর্যায়ে পৌঁছাবে। আঞ্চলিক পর্বের খেলা ১৩ থেকে ২২ মে এর মধ্যে শেষ হবে।আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের আসরে সারা দেশ থেকে মোট ১ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি প্রতিযোগী নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে ছেলেদের সংখ্যা ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি এবং মেয়েদের সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।