• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ২০শে বৈশাখ ১৪৩৩ রাত ১০:১৮:৩৫ (03-May-2026)
  • - ৩৩° সে:
শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অন্তঃকোন্দলের কারণেই টিটন হত্যাকাণ্ড: ধারণা পুলিশের

শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অন্তঃকোন্দলের কারণেই টিটন হত্যাকাণ্ড: ধারণা পুলিশের

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হয়েছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন। প্রাথমিকভাবে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অন্তঃকোন্দলের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনসহ সম্ভাব্য সব দিক সামনে রেখে তদন্ত চলছে।২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার রাত পৌনে ৮টার দিকে নিউমার্কেটের পশ্চিম পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেলে এসে দুজন দুর্বৃত্ত টিটনকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি সড়কে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, হামলাকারীরা ক্যাপ ও মাস্ক পরিহিত ছিল। গুলি চালানোর পর স্থানীয়রা ধাওয়া দিলে আতঙ্ক ছড়াতে ফাঁকা গুলিও ছোড়ে তারা। পরে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।রাত সোয়া ১০টার দিকে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তার বাবার নাম কে এম ফকরুদ্দিন ও মায়ের নাম আকলিমা বেগম। বর্তমান ঠিকানা হাজারীবাগ থানার জিগাতলার সুলতানগঞ্জ এলাকায়।রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অন্তঃকোন্দলকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত টিটন আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের স্ত্রীর বড় ভাই। এ কারণে ইমনকেও সন্দেহের বাইরে রাখা হচ্ছে না।উল্লেখ্য, ২০০১ সালে সরকার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় টিটনের নাম ছিল। ২০০৪ সালে তাকে ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ২০১৪ সালে বাবর এলাহী হত্যা মামলায় তিনি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন। পরে ২০২৪ সালে জামিনে মুক্তি পান। তবে বর্তমানে তিনি আদালতে হাজিরা না দিয়ে পলাতক ছিলেন বলে জানা গেছে।এর আগে গত বছরের ১০ নভেম্বর পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে প্রকাশ্যে গুলি করে শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাঈফ মামুনকে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় টিটনের ভগ্নিপতি সানজিদুল ইসলাম ইমনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে এসেছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।সাম্প্রতিক এ হত্যাকাণ্ড সেই বিরোধের ধারাবাহিকতা কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।