• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ২৬শে মাঘ ১৪৩২ বিকাল ০৩:০১:৪০ (08-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:
ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ডে’ যোগ দেবে না ইতালি

ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ডে’ যোগ দেবে না ইতালি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইতালি। দেশটির সরকার জানিয়েছে, সংবিধানগত সীমাবদ্ধতার কারণে এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগে অংশ নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এতে করে স্বঘোষিত এই ‘আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠা সংস্থা’ নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তায়ানি বার্তা সংস্থা আনসাকে বলেন, ইতালির সংবিধান ও বোর্ড অব পিসের সনদের মধ্যে এমন আইনগত বিরোধ রয়েছে, যা অতিক্রম করা সম্ভব নয়। তবে শান্তি উদ্যোগ নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে ইতালি সবসময়ই আগ্রহী থাকবে বলে জানান তিনি।ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে একই অবস্থান নিয়েছে ইতালি। এসব দেশ এখনো বিতর্কিত এই বোর্ডে যোগ দেয়নি। যদিও জাতিসংঘ গত বছর যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার জন্য একটি অন্তর্বর্তী শাসন কাঠামো হিসেবে বোর্ডটির অনুমোদন দিয়েছিল, পরে সনদ সম্প্রসারণের সময় যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজার কোনো উল্লেখ রাখা হয়নি।পররাষ্ট্রমন্ত্রী তায়ানি ইতালির সংবিধানের ১১ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করেন। ওই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সমান অধিকার ও মর্যাদার শর্ত ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থায় ইতালি যোগ দিতে পারে না। তিনি বলেন, বোর্ড অব পিসের সনদে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন চেয়ারম্যান এবং চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সমতার এই শর্ত পূরণ করে না।আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বোর্ড অব পিস স্থায়ী সদস্যপদের জন্য দেশগুলোর কাছে এক বিলিয়ন ডলার করে দাবি করেছে। এ কারণে অনেকেই এটিকে জাতিসংঘের একটি ‘পে-টু-প্লে’ সংস্করণ হিসেবে সমালোচনা করছেন। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ডটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর এক দিন আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে।গত মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায় ৬০টি দেশকে বোর্ড অব পিসে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বোর্ডটির ওয়েবসাইটে বর্তমানে ২৬টি দেশের নাম তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে গাজা ইস্যুতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পরিচিত কাতার ও মিসরের নামও রয়েছে।