• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ২৮শে পৌষ ১৪৩২ রাত ০১:৪৮:৪৫ (12-Jan-2026)
  • - ৩৩° সে:
ইবি আইসিটি বিভাগের রজতজয়ন্তী উদযাপন

ইবি আইসিটি বিভাগের রজতজয়ন্তী উদযাপন

ইবি প্রতিনিধি: ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে রজতজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী উদযাপন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগ।১০ জানুয়ারি শনিবার দুপুরে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। পরে বিভাগের সামনে থেকে একটি আনন্দ র‍্যালি বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে গিয়ে সমবেত হয়।এ সময় আইসিটি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. ইয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান।অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আইসিটি বিভাগের রজতজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী-২০২৫-এর আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন। এ ছাড়া আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহজাহান আলী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক শৃঙ্খলা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণার মান সরাসরি জড়িত। আইসিটি বিভাগ প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে সেই মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছে।উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. ইয়াকুব আলী বলেন, রজতজয়ন্তী শুধু একটি সময়কাল পূর্তির স্মারক নয়; এটি একটি বিভাগের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা, অর্জন ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নের প্রতিফলন। ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগ শুরু থেকেই গুণগত শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, মানুষের শিক্ষাজীবনের শেষ ধাপ হলো বিশ্ববিদ্যালয়। এখান থেকেই জীবনের প্রকৃত রূপান্তর শুরু হয়। যারা এই রূপান্তরকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারেন, তারাই জীবনের সর্বোচ্চ সফলতার শিখরে পৌঁছাতে সক্ষম হন।বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ জানান, আমাদের বিভাগ শুরু থেকেই সফলতার সাক্ষী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। বিভাগের শিক্ষার্থীরা দেশে-বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে একটি এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন করা হবে, যা বিভাগের অগ্রযাত্রায় সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখবে।