• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ৪ঠা আষাঢ় ১৪৩৩ ভোর ০৫:৪৬:০৬ (19-Jun-2026)
  • - ৩৩° সে:
‘সব দোষ মাহফুজ আলমের’

‘সব দোষ মাহফুজ আলমের’

ডেস্ক রিপোর্ট: নিজের বিরুদ্ধে চলমান সমালোচনা ও বিষোদগারের জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। ১০ জুন বুধবার দিবাগত রাতে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনের পক্ষের শক্তি হিসেবে পরিচিত বিভিন্ন মহলের আক্রমণের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন তিনি।‘সব দোষ মাহফুজ আলমে’র ইতিবৃত্ত’ শিরোনামের স্ট্যাটাসে মাহফুজ আলম বলেন, তিনি কখনও জুলাই আন্দোলনের পক্ষের কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেননি। তবে তার বিরুদ্ধে হওয়া সমালোচনার বড় অংশই এসেছে ‘জাশি’, এনসিপি ও উগ্র ডানপন্থি গোষ্ঠীর কাছ থেকে বলে দাবি করেন তিনি।মাহফুজ আলমের ভাষ্য, তথ্য মন্ত্রণালয়ে নয় মাস দায়িত্ব পালন করার কারণে যদি তাকে দায়ী করা হয়, তাহলে একই সময়ে দায়িত্বে থাকা অন্যদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অন্যরা দায়মুক্ত থাকলেও কেন তাকে ‘গাদ্দার’ আখ্যা দেওয়া হচ্ছে।স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, আদর্শিক অবস্থান থেকে তিনি জামায়াত ও উগ্র ডানপন্থি রাজনীতির সমালোচনা করেছেন। তবে জুলাই আন্দোলনের পক্ষের সব শক্তিকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ধারার সঙ্গে একীভূত করে দেখার বিরোধিতা করেন তিনি।মাহফুজ আলম দাবি করেন, গত প্রায় দুই বছর ধরে তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। নীতিগত ও আদর্শিক বিতর্কের পরিবর্তে ব্যক্তি আক্রমণ ও বিদ্বেষমূলক রাজনীতি চলতে থাকায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জামায়াতবিরোধী অবস্থানের কারণে সরকারের ভেতরেও তিনি চাপে ছিলেন। নিজের জীবন ও সম্মান রক্ষার স্বার্থে অনেক বিষয়ে নীরব থেকেছেন বলেও উল্লেখ করেন।স্ট্যাটাসের এক পর্যায়ে মাহফুজ আলম অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী তার মৃত্যুদণ্ডের দাবি তুলেছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক প্রচারণা চালিয়েছে। তিনি এসব কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানান।পোস্টের শেষাংশে মাহফুজ আলম বলেন, জুলাই আন্দোলন কোনো একক ব্যক্তির সম্পত্তি নয় এবং একজন ব্যক্তি চাইলেই তা ধ্বংস করতে পারেন না। ব্যক্তি আক্রমণ ও গালিগালাজের পরিবর্তে নীতি, মতাদর্শ ও রাষ্ট্র পরিচালনা নিয়ে গঠনমূলক বিতর্কে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, ‘গালিবাজি আর ব্যক্তি আক্রমণ বাদ দিয়ে পলিসি ও মতাদর্শ নিয়ে তর্ক করে যেন আমরা একটি ভালো বাংলাদেশ গড়তে পারি, সেদিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।’