কিডনিতে যে কারণে বারবার পাথর হতে পারে
লাইফস্টাইল ডেস্ক: কিডনিতে পাথর হওয়া একটি সাধারণ মূত্রসংক্রান্ত সমস্যা। এছাড়াও নারীদের তুলনায় পুরুষদের কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেশি। অনেকেই আছেন, যাদের ক্ষেত্রে বারবার কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। কেন এমনটা হয়, সে সম্পর্কে আমরা বেশিরভাগই জানি না।বিশেষজ্ঞদের মতে, বারবার কিডনিতে পাথর হওয়ার পেছনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণ থাকে, যেমন- অপর্যাপ্ত পানি পান, খাদ্যাভ্যাস, স্থূলতা, বিপাকীয় ব্যাধি এবং পারিবারিক ইতিহাস। অনেকের ক্ষেত্রে শরীর স্বাভাবিকভাবেই ক্যালসিয়াম, অক্সালেট বা ইউরিক অ্যাসিডের মতো পাথর সৃষ্টিকারী পদার্থ উচ্চ মাত্রায় নিঃসরণ করে, যা তাদের পুনরায় পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।পাথর অপসারণের পরেও প্রতিরোধ কেন জরুরিবেশিরভাগ মানুষের ধারণা যে পাথর অপসারণ করাই সমস্যার শেষ। দুর্ভাগ্যবশত, কিডনি পাথর অপসারণ করা হলেও ঝুঁকি থেকে যায়। প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন না করলে পাথর তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। পুনরাবৃত্তির অন্যতম প্রধান কারণ হলো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা উপেক্ষা করে শুধু মাত্র কিডনি পাথর অপসারণের দিকে মনোযোগ দেওয়ার প্রবণতা।কিডনিতে বারবার পাথর হওয়া কীভাবে প্রতিরোধ করবেনযেসব রোগীর বারবার কিডনি পাথর হওয়ার ইতিহাস আছে, যাদের উভয় কিডনিতে পাথর, একাধিক পাথর বা খুব বড় পাথর রয়েছে, তাদের পাথর তৈরির অন্তর্নিহিত কারণ শনাক্ত করার জন্য রক্ত এবং মূত্র পরীক্ষা করানো উচিত। এই রোগীদের একজন ইউরোলজিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত, কারণ মূল কারণ শনাক্ত করা ভবিষ্যতে পাথর তৈরির ঝুঁকি কমাতে উল্লেখযোগ্যভাবে সাহায্য করতে পারে।* শরীরে পর্যাপ্ত পানি বজায় রাখুন। দ্য ল্যানসেট-এ প্রকাশিত একটি র্যান্ডমাইজড কন্ট্রোলড ট্রায়াল দেখায় যে, সঠিক হাইড্রেশন কিডনি পাথর প্রতিরোধ করতে পারে।* অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ সীমিত করুন এবং লবণের পরিমাণ না বাড়িয়ে স্বাদ বাড়ানোর জন্য ভেষজ ও মসলার মতো স্বাস্থ্যকর বিকল্প ব্যবহার করুন।* সুষম খাদ্যতালিকা বজায় রাখুন। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজেস-এর মতে, ডায়েটারি অ্যাপ্রোচেস টু স্টপ হাইপারটেনশন (DASH) ডায়েট অনুসরণ করলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কার্যকরভাবে কমে।