• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ২৩শে আষাঢ় ১৪৩৩ রাত ১০:৫৪:২৯ (07-Jul-2026)
  • - ৩৩° সে:
নবজাতককে ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়ার চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন

নবজাতককে ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়ার চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন

নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার কালিহর নদী থেকে উদ্ধার হওয়া নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। প্রতিবেশী কৃষকের ধারাবাহিক ধর্ষণের শিকার হয়ে ১২ বছর বয়সী এক শিশু গর্ভবতী হয়েছিল। পরে শিশুটি মৃত কন্যাসন্তানের জন্ম দিলে নবজাতকের মরদেহ ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।৭ জুলাই মঙ্গলবার পূর্বধলা থানা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সাজন মিয়া (২৫) নামে এক কৃষককে গ্রেফতার করা হয়। পরে ভুক্তভোগী শিশুকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার বিস্তারিত জানা যায় বলে দাবি পুলিশের।পুলিশ জানায়, প্রায় সাত মাস আগে ভুক্তভোগীর মা কর্মস্থলে থাকাকালে অভিযুক্ত সাজন মিয়া শিশুটিকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে তাকে ধর্ষণ করার ফলে শিশুটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে। বয়স কম হওয়ায় এবং শারীরিক গঠনের কারণে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বুঝতে পারেননি।গত ২৮ জুন দিবাগত রাতে তীব্র পেটব্যথা শুরু হলে বসতঘরের পাশেই শিশুটি মৃত কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। বিষয়টি তার মাকে জানালে অভিযুক্ত ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেন এবং ঘটনাটি গোপন রাখতে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরে কালো শার্টে নবজাতকের মরদেহ জড়িয়ে রশি দিয়ে ইট বেঁধে কালিহর নদীতে ফেলে দেয়।এ বিষয়ে পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘নবজাতকের মরদেহ উদ্ধারের মামলার তদন্তে ঘটনার রহস্য উদঘাটন হয়েছে। অভিযুক্ত সাজন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। এছাড়া ভুক্তভোগী শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।’