• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ৩১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ দুপুর ০২:৩৬:৪৯ (14-Jun-2026)
  • - ৩৩° সে:
নয়াদিল্লির তীব্র প্রতিবাদের মধ্যেও ওয়াশিংটন তাদের অবস্থানে অনড়

নয়াদিল্লির তীব্র প্রতিবাদের মধ্যেও ওয়াশিংটন তাদের অবস্থানে অনড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ওমান উপকূলের কাছে একটি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। নয়াদিল্লির তীব্র প্রতিবাদের মধ্যেও ওয়াশিংটন তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে ফোনালাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, হরমুজ প্রণালী এলাকায় কোনো ধরনের অবরোধ লঙ্ঘন যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।ঘটনার সূত্রপাত ওমান উপকূল ও হরমুজ প্রণালীর প্রবেশমুখে। সেখানে পালাউয়ের পতাকাবাহী ‘এমটি সেত্তেবেলো’ নামের একটি তেল ট্যাঙ্কারে হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হন। একই এলাকায় ২০ জন ভারতীয় নাবিক বহনকারী আরেকটি বাণিজ্যিক জাহাজও হামলার মুখে পড়ে।ঘটনার পর ভারত সরকার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স জেসন মিকসকে দুই দফা তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানায়। পরে জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাণিজ্যিক জাহাজে প্রাণঘাতী হামলার নিন্দা জানান।এর জবাবে মার্কিন প্রশাসন জানায়, হরমুজ প্রণালীতে পরিচালিত নিরাপত্তা কার্যক্রমে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মার্কিন বাহিনীর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। ইরান থেকে অবৈধ তেল পরিবহন বা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্যের কোনো প্রচেষ্টা সহ্য করা হবে না বলেও সতর্ক করা হয়।এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘটনার জন্য ইরানকে দায়ী করে দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালী ত্যাগ করা ভারতীয় জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে ইরান ড্রোন হামলার চেষ্টা চালিয়েছিল, যা মার্কিন বাহিনী প্রতিহত করেছে।ঘটনাটি ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। কংগ্রেস নেতা শশী থারুর হতাহতদের বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের অবস্থানে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, একজন ঘনিষ্ঠ মিত্রের কাছ থেকে অন্তত সমবেদনা প্রত্যাশিত ছিল। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, জাহাজ থামাতে প্রাণঘাতী হামলার পরিবর্তে অন্য কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করা সম্ভব ছিল কি না।সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।