• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ৩রা চৈত্র ১৪৩২ বিকাল ০৩:৪২:২১ (17-Mar-2026)
  • - ৩৩° সে:
গাইবান্ধায় ১৫ গ্রামের মানুষের ভরসা নড়বড়ে কাঠের সাঁকো

গাইবান্ধায় ১৫ গ্রামের মানুষের ভরসা নড়বড়ে কাঠের সাঁকো

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: একটি সেতুর অভাবে যুগের পর যুগ ধরে চরম ভোগান্তিতে ১৫ গ্রামের মানুষ। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন নিরব থাকায় চাঁদার টাকায় কাঠের সাঁকো নির্মাণ করেছেন এলাকাবাসী। চলাচলের একমাত্র ভরসা সেই সাঁকোটিও এখন অচল প্রায়। তারপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) চোখে পড়লেও ফিজিবিলিটি স্টাডির মধ্যে আটকে আছে সেতু নির্মাণের কাজ।একই উপজেলার দুই ইউনিয়নকে বিভক্ত করে বয়ে চলেছে ঘাঘট নদী। একপাড়ে দামোদরপুর আর অপরপাড়ে রসুলপুর ইউনিয়ন। গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার এ দুই ইউনিয়নের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম বলতে এই কাঠের সাঁকো।এলাকাবাসী জানান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রশাসন কোনো পক্ষের সাড়া না পেয়ে বছর দশেক আগে স্থানীয়দের দেওয়া চাঁদা, কাঠ আর শ্রমে গড়ে ওঠে এই সাঁকো। প্রায় ১০ বছরে পথচারীদের ভারে শক্তি হারিয়ে এখন দুর্বল হয়ে পড়েছে চাঁন্দের বাজার এলাকার এই সাঁকোটি। ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে কাঠের সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে প্রসূতি মা, শিশু, নারী, পুরুষ, বৃদ্ধসহ দুই ইউনিয়নের ১৫ গ্রামের বাসিন্দা।একটি সেতুর অভাবে যুগের পর যুগ ধরে হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগ পোহালেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।তবে গাইবান্ধা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম বলছেন, ফিজিবিলিটি স্টাডির পর্যায়ে আটকে আছে এখানকার সেতু নির্মাণের কাজ।স্থানীয়দের আশঙ্কা, নড়বড়ে এই কাঠের সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা। তাদের দাবি, একটি পাকা সেতু নির্মাণ করা হলে দুই ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন সহজ হবে, তেমনি স্থানীয় কৃষি অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটবে।