• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ৩০শে পৌষ ১৪৩২ দুপুর ০১:২৬:১৫ (13-Jan-2026)
  • - ৩৩° সে:
যুদ্ধবিমান কিনতে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করছে ইন্দোনেশিয়া

যুদ্ধবিমান কিনতে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করছে ইন্দোনেশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশসহ বেশ কয়েটি দেশের পর এবার পাকিস্তানের জেএফ–১৭ যুদ্ধবিমান কিনতে আলোচনা করছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে ইসলামাবাদে বৈঠক করেছেন বলে জানিয়েছে নিউইয়র্কভিত্তিক ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।১২ জানুয়ারি সোমবার ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী উভয়ই ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী শাফরি শামসোউদ্দিন এবং পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধুর বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকে একটি সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে, যার আওতায় জাকার্তাকে যুদ্ধবিমান ও আক্রমণাত্মক ড্রোন সরবরাহ করতে পারে পাকিস্তান। একটি সূত্র জানায়, আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান। এটি পাকিস্তান ও চীনের যৌথভাবে উন্নত করা একটি বহু-ভূমিকা সম্পন্ন যুদ্ধবিমান। পাশাপাশি নজরদারি ও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম ড্রোন বিক্রির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।অন্য সূত্র জানায়, আলোচনা অনেকটাই অগ্রসর পর্যায়ে রয়েছে এবং এতে ৪০টির বেশি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। তাদের একজন বলেন, ইন্দোনেশিয়া পাকিস্তানের শাহপার ড্রোনেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় সরবরাহের সময়সূচি বা কত বছরের জন্য চুক্তি হবে— এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি সূত্রগুলো।ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রিকো রিকার্দো সিরাইত বলেন, এই বৈঠকে সামগ্রিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে কৌশলগত সংলাপ, প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ জোরদার এবং দীর্ঘমেয়াদে পারস্পরিক লাভজনক বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে কথা হয়েছে। তবে আলোচনাগুলো এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি।পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীও এক বিবৃতিতে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। ওই আলোচনায় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের সম্ভাব্য পথ নিয়ে আলোচনা হয়।