আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় এক দশক পর আবারও চীন সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১৩ মে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেইজ অ্যান্ড্রুস থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেয় তাকে বহনকারী প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ান।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব আনা কেলি জানিয়েছেন, বুধবার বেইজিং পৌঁছানোর পর ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া হবে।


সফরের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন ট্রাম্প। বৈঠকের পর তিনি বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক টেম্পল অব হেভেন পরিদর্শন করবেন এবং শি জিনপিংয়ের আয়োজিত রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় অংশ নেবেন।

এই সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্পোরেট নেতারাও রয়েছেন। প্রতিনিধি দলে আছেন ইলন মাস্ক, টিম কুক, কেলি অর্টবার্গ এবং ল্যারি কাল্পসহ আরও কয়েকজন শীর্ষ নির্বাহী।
ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বিমানঘাঁটিতে। ওই বৈঠকে ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর আরোপিত যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিলেন।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে চলমান বাণিজ্য ও কূটনৈতিক বিরোধ নিরসনের পথ তৈরি হতে পারে।
ট্রাম্পের সফর ঘিরে বেইজিংয়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিশেষ করে তিয়ানআনমেন স্কয়ারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সফর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় চীনের অর্থনীতিতেও চাপ তৈরি হয়েছে। উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বেইজিং দ্রুত এ সংঘাতের অবসান চায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available