আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি গভীর সমুদ্রে তিনটি ইরানি পতাকাবাহী তেল ট্যাংকার আটকে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী—এমন তথ্য জানিয়েছে একাধিক নৌপরিবহন ও নিরাপত্তা সূত্র।
২২ এপ্রিল বুধবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন বাহিনী এশীয় জলসীমায় ইরানের অন্তত তিনটি ট্যাংকারের পথ পরিবর্তন করে তাদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। এগুলো ভারত, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওয়াশিংটন সমুদ্রপথে ইরানের বাণিজ্যের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে। অন্যদিকে ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সূত্র ও জাহাজ ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, ডিপ সি: ইরানি পতাকাবাহী সুপারট্যাংকার, আংশিক অপরিশোধিত তেল বহন করছিল; সেভিন: প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল ধারণক্ষমতার জাহাজ, ৬৫ শতাংশ তেল বোঝাই ছিল এবং ডোরেনা: প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহনকারী সুপারট্যাংকার। আরও একটি জাহাজ দেরিয়া-কেও আটকের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে সূত্রগুলো
প্রতিবেদনে বলা হয়, কিছু জাহাজের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ ছিল এবং শেষবার মালয়েশিয়া ও ভারতের উপকূলের কাছাকাছি অবস্থানে দেখা গেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, অবরোধ লঙ্ঘনের চেষ্টা করা জাহাজগুলোকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং নৌবাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সব জাহাজ আটকের বিষয়ে তারা বিস্তারিত মন্তব্য করেনি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বে প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি পরিবহন হয়। সেখানে উত্তেজনা বাড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।
এর আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনার পর সীমিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সমুদ্রপথে সংঘাত ও জাহাজ আটকের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available