• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ১৬ই চৈত্র ১৪৩২ বিকাল ০৫:৫২:৩৪ (30-Mar-2026)
  • - ৩৩° সে:

গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনজীবী হলেন ৮১ জন শিক্ষার্থী

৩০ মার্চ ২০২৬ দুপুর ০২:৩৬:১৮

গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনজীবী হলেন ৮১ জন শিক্ষার্থী

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ এর চার ব্যাচ থেকে মৌখিক পরীক্ষায় আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন ৮১জন শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন বিভাগ হিসেবে এখন পর্যন্ত মোট ১০টি ব্যাচ চলমান রয়েছে। পাঠদানে শিক্ষকদের নিরলস পরিশ্রম ও শিক্ষার্থীদের মেধা, প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় বরাবরের মতো এবারও এই অভাবনীয় সাফল্যের দেখা মিলেছে।

জানা যায় উক্ত বিভাগ থেকে, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস(বিজেএস) পরীক্ষায় এ পর্যন্ত (৩) তিন জন শিক্ষার্থী সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে।

Ad
Ad

১৫ মার্চ রোববার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে জানা যায়, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ৮ হাজার ৫৯৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

Ad

বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, উত্তীর্ণ প্রার্থীরা দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীনে আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। আইন পেশা শুরু করার জন্য তাঁদের ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচিত বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ১৫ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৩ থেকে ১৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণরা বাংলাদেশে আইন পেশায় অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

এ প্রসঙ্গে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ফলাফল প্রাপ্ত নব্য আইনজীবী এবং ১৭শ’ (বিজেএস) সুপারিশ প্রাপ্ত সিভিল জজ সাদিকুর রহমান রোমান বলেন, ‘নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ একদমই নবীন। তবে ইতোমধ্যে উক্ত বিভাগ থেকে ৩জন বিচারক হয়েছেন। এবছর বাংলাদেশ বার কাউন্সিল পরীক্ষায় প্রায় ১০০জন অ্যাডভোকেট নতুন করে এনরোলমেন্ট পেয়েছেন যা আইন বিভাগের জন্য আনন্দ ও গর্বের। আমি বর্তমানে সিভিল জজ, ভোলা-য় কর্মরত রয়েছি। বহুল বার কাউন্সিল পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলের অপেক্ষার পালা শেষে আমিও এবার এনরোল করেছি। যদিও আমার এখন আর প্রাক্টিসে আসার সুযোগ নেই। তবে আমার বিশ্বাস আমার বন্ধুসহ প্রায় ১০০ জন নবীন আইনজীবী আইন পেশায় সুনাম অর্জন করবে। একই সাথে আইন বিভাগের ভবিষ্যত সফলতায় সহযোগী থাকবে। আজকের সেরা আইনজীবীদের মধ্যে আগামীদিনের  বিচারপতিদের প্রতিচ্ছবি আমরা দেখতে পাই। তাই আইন পেশা ও পোশাকে ধারণ করতে হবে। সবার জন্য দোয়া ও শুভকামনা। আইন বিভাগ এগিয়ে যাক।’

আইনজীবী তালিকাভুক্তি আরো একজন আইনজীবী, (২০১৭-১৮)শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. রিয়াদ আহমেদ বলেন, ‘সম্প্রতি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়ে আমি উচ্ছ্বসিত। পরবর্তী ব্যাচগুলোর জন্য পরামর্শ থাকবে পড়ার ক্ষেত্রে তারা যেন অবশ্যই বেয়ার এক্ট কে প্রাধান্য দেয়। শুধু মাত্র গাইড বই কিংবা কোন কোচিং এর নোট একজন স্টুডেন্টকে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী করতে পারে না। শুধু মাত্র গাইড বা নোট পড়লে অনেক জ্ঞানের ঘাটতি থেকে যায়।

তিনি আরও বলেন, সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভালো আইনজীবী প্রয়োজন, সে লক্ষ্য অর্জনে প্রত্যেক আইনের স্টুডেন্ট কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।’

এ বিষয়ে আইন অনুষদের ডিন এবং বিভাগীয় প্রধান (সহযোগী অধ্যাপক) মানসুরা খানম বলেন,‘আমরা যখন প্রথম বিভাগ চালু করি আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা, নানাবিধ সমস্যা পেরিয়ে এ পর্যন্ত আসতে হয়েছে। আমাদের এ পর্যন্ত ১০টি ব্যাচ চলমান রয়েছে। আমরা এই অভাবনীয় সাফল্যে গর্ববোধ করছি, নব্য আইনজীবীসহ এই বিভাগ থেকে যত আইনজীবী হয়েছেন সবাইকে বিভাগের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। এটি আমাদের আইনবিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম পাওয়া। আশা করছি, এই সফলতার চলমান থাকবে এবং উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।’

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ








গভীর রাতে মহাসড়কে শতাধিক গাড়িতে ডাকাতি
গভীর রাতে মহাসড়কে শতাধিক গাড়িতে ডাকাতি
৩০ মার্চ ২০২৬ বিকাল ০৩:৪৩:১৫




Follow Us