নিজস্ব প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা আপিলেও টিকল না।
২৭ এপ্রিল সোমবার নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শুনানি শেষে এমন তথ্য সাংবাদিকদের জানান নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।


তিনি বলেন, মনিরা শারমিনের আপিল নামঞ্জুর হয়েছে। তার মনোনয়নপত্র বাতিল থাকলো।

মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় গত ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর অতিবাহিত না হওয়ার কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। পরে তিনি কমিশনে আপিল করেন।
এ বিষয়ে মনিরা বলেন, সরকারি চাকরি হিসেবে আমি যে পর্যায়ে কাজ করেছি, সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো ক্ষমতা ছিল না। কাজেই আমি মনে করি না যে এটা মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার মতো।
কমিশনের সিদ্ধান্তের পর আদালতে যাবো।
গত ২২ এপ্রিল জামায়াত জোটের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। আর মনিরা শারমিনকে চাকরি সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য ২৩ এপ্রিল দুপুর ১২টার মধ্যে সরবরাহ করার আদেশ দিয়ে তার মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়। এদিকে জোটের অন্য এক প্রার্থী এনসিপির আরেক নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম মনোনয়নপত্র নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট বিলম্বে দাখিল করায় তা গ্রহণ করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা।
এই অবস্থায় জামায়াত জাতীয় সংসদের একটি নারী আসন কম পেতে পারে। অর্থাৎ তাদের জন্য বণ্টন করা ১৩টি আসন থেকে কমে ১২টিতে দাঁড়াতে পারে। কারণ ওই আসনটি উন্মুক্ত হিসেবে নতুন তফসিলে ভোট হবে। আর সংসদে ভোট বেশি থাকায় আসনটি নিজেদের দুর্গে তুলে নিতে পারে বিএনপি জোট।
দুদিনের বাছাইয়ে বিএনপি জোটের ৩৬, জামায়াত জোটের ১২ ও স্বতন্ত্র মোর্চার একজনের মনোনয়নপত্রসহ মোট ৪৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।
তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল। আর নির্বাচন হবে ১২ মে।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available