আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সরকারি চাকরিতে একটি পদের জন্য হাজারো আবেদন জমা পড়া ভারতে এবার দেখা গেল একেবারে ভিন্ন চিত্র। মধ্যপ্রদেশের সিধি জেলায় বিশেষ নিয়োগ কার্যক্রমে বনরক্ষীর আটটি শূন্য পদের বিপরীতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হাজির হন মাত্র একজন প্রার্থী। প্রয়োজনীয় সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করায় তাকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাকি সাতটি পদ শূন্যই থেকে গেছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের বিশেষ নিয়োগ কর্মসূচির আওতায় সিধি ফরেস্ট ডিভিশনে বনরক্ষীর আটটি পদে আবেদন আহ্বান করা হয়। পদগুলো বিশেষভাবে বাইগা, ভারিয়া ও সাহারিয়া এই তিনটি ‘পার্টিকুলারলি ভালনারেবল ট্রাইবাল গ্রুপস (পিভিটিজি)’ সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত ছিল।
মোট আটটি পদের মধ্যে পাঁচটি সাধারণ প্রার্থীদের জন্য, একটি সাবেক সেনাসদস্য এবং দুটি হোমগার্ড স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য সংরক্ষিত ছিল। অনলাইন আবেদন শেষে যোগ্য ২৫ জন প্রার্থীকে নথি যাচাই, শারীরিক সক্ষমতা ও হাঁটা পরীক্ষার জন্য কল লেটার পাঠানো হলেও নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হন মাত্র একজন নারী প্রার্থী।
মজার বিষয় হলো ওই নারী প্রার্থী সিধি জেলার নন। তিনি পাশের উমারিয়া জেলার বাসিন্দা। সরকারি বিধি অনুযায়ী ১৫ কিলোমিটার হাঁটা পরীক্ষাসহ সব শারীরিক সক্ষমতার ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করায় তাকেই নির্বাচিত করা হয়।
মধ্যপ্রদেশের প্রধান বন সংরক্ষকের নির্দেশনা অনুযায়ী গঠিত একটি কমিটি প্রার্থীদের নথিপত্র ও যোগ্যতা যাচাই করে। ২৩ জুন রেওয়া ও সিধি বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
সিধি বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা প্রীতি আহিরওয়ার বলেন, ‘সরকারি বিধিমালা অনুসারেই পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ২৫ জনকে ডাকা হলেও মাত্র একজন উপস্থিত হন। ফলে তিনিই নির্বাচিত হয়েছেন।’
ভারতে সরকারি চাকরির জন্য সাধারণত ব্যাপক প্রতিযোগিতা দেখা গেলেও এই নিয়োগ কার্যক্রমে প্রার্থীদের এমন অনুপস্থিতি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available